Latest

Continue reading this blog to discover yourself
Showing posts with label Thoughts. Show all posts
Showing posts with label Thoughts. Show all posts

Friday, July 15, 2022

মানুষ বাটপার হয় কেন?

cheater

বাটপার শব্দটির সমর্থক শব্দ হচ্ছে প্রতারক। প্রতারক শব্দটিকে আরও বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে - যিনি অন্যের সাথে ছলনার আশ্রয় নেন। এখানে প্রশ্ন করা যায়, মানুষ কখন ছলনার আশ্রয় নেয়? উত্তরে বলা যেতে পারে, যখন সে তার প্রতিবন্ধকতা গুলো বুঝতে পারে। আচ্ছা এই প্রতিবন্ধকতা গুলো সৃষ্টি হয় কিসের ভিত্তিতে? উত্তর হচ্ছে - কোনো চাহিদার অপূর্ণতা থেকে। মানে, আমার চাহিদা আছে, কিন্তু ঐ জিনিসটা গ্রহণ করার ক্ষমতা নেই! গ্রহণ করার ক্ষমতা যেকোনো কারনেই অপ্রতুল হতে পারে। এখানে শুধু অর্থ দিয়ে যাচাই করা যাবে না, বরং মানসিক, শারিরিক সহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় আনতে হবে। তার মানে একটু সাজিয়ে লিখলে এমন হয় যে, কোনো ব্যক্তি হয়তো মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে অথচ বাড়ি ফিরে পরিবারের কাছে তার মুখে ছোট্ট একটা হাসি সর্বদা লেগেই আছে! কোনো মানুষ শারিরিক ভাবে দুর্বল অথচ হুমকি ধামকিতে সে সবাইকে নাচিয়ে বেড়ায়! কেউ হয়তো অর্থ ধার নিয়েছে, কিন্তু সংকুলান না হওয়ায় পরিশোধ করতে অক্ষম! বাস্তবিকপক্ষে এরা সবাই বাটপার! যে পরিবারের কাছে মিথ্যা হাসে, সে পরিবারের সাথে প্রতারণা করছে, যে নিজেকে মিথ্যা প্রকাশ করছে সেও প্রতারণা করছে, আবার যে সময়মতো অর্থ পরিশোধ করতে পারিনি সেও কথার খেলাপ করেছে! এই বিষয়গুলি পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই এক অজানা বেদনার কাহিনী লুকিয়ে আছে। হ্যাঁ, আমাদের সুবিধাভোগী সমাজ এই অজানা কাহিনীর খোঁজ নেয় না। আর এভাবেই শত বেদনার গল্প মাটিচাপা দিয়ে প্রতিনিয়ত কেউ না কেউ হয়ে উঠছে বাটপার!


এরকম আরো লেখা পড়তে Thoughts লিংকে ক্লিক করুন।

Sunday, July 10, 2022

প্যারানরমাল এক্টিভিটি আসলে কি?

Paranormal Activities

প্যারানরমাল এক্টিভিটি বলতে নিজের চোখে দেখা অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বুঝায়। এখন বিষয় হচ্ছে - আমরা দেখতে পারি কি কি? মানে, আমাদের চোখের দেখার ক্ষমতা কতদূর? আমরা কি পৃথিবীতে অবস্থিত সকল ডাইমেনশনে কি হচ্ছে তা দেখতে পারি? উত্তর খুব সহজ, না। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে আমাদের চোখ অনেক সময় বিভিন্ন ডাইমেনশনে থাকা অপরিচিত অবজেক্ট সনাক্ত করে, আর এসব অবজেক্টকেই আমরা প্যারানরমাল এক্টিভিটি বলে থাকি।

এরকম আরো লেখা পড়তে Thoughts লিংকে ক্লিক করুন।

মানুষ কি টাইম লুপে আটকে আছে?

Time Loop

কোনো কাজের পুনরাবৃত্তি বা বার বার একটা কাজ হওয়াকে লুপ বলে। এই ঘটনা যখন সময়ের ক্ষেত্রে হয় তখন তাকে টাইম লুপ বলে। অর্থাৎ, সায়েন্স ফিকশন মুভিতে যেমন দেখা যায় কোনো ক্যারেকটার বার বার একই কাজ করছে, এমনটাই! তবে, এক্ষেত্রে আমার মত ভিন্ন। সময় আসলে ভ্রম। কেননা সময়ের নির্দিষ্ট কোনো মানদন্ড নেই। এই যেমন সময় পৃথিবীতে এক রকম আবার চাদে এক রকম আবার মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি এর বাইরে গেলে সময়ের অস্তিত্বই নেই! এবার আসি টাইম লুপে, টাইম লুপে আমরা প্রতিনিয়ত পড়ছি। যেমন আমরা কিন্তু কোনো না কোনো কাজ প্রতিদিনই একইভাবে করি। হ্যাঁ, এখানে সময়ের কিছু প্যারাডক্স বা হেরফের আছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় - অফিসে, ক্লাস রুমে, রান্নাঘরে, বাজারে ইত্যাদি নিত্যদিনের ঘটনা একই ভাবেই ঘটে। প্রশ্ন হচ্ছে কেন এসব ঘটনা অন্যভাবে ঘটেনা! যেমন - বাজার করাটাই যদি অফিস করা হতো, আবার রান্না করাটাই যদি ক্লাস করা হতো - এমনই! কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে এমনটা হচ্ছে না। তার মানে আমরা টাইম লুপে আটকে আছি...

এরকম আরো লেখা পড়তে Thoughts লিংকে ক্লিক করুন।

মানুষই হচ্ছে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

Human is A.I

মানুষ হচ্ছে স্রষ্টার সৃষ্ট শ্রেষ্ঠ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ছাড়া আর কিছুই না। মানুষ কে কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলেছি, এর পেছনে আমার একটা লজিক আছে। আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলতে এমন কিছুকেই বুঝি যা তার গন্ডি পার হতে পারে না। মানে নিজের মতো করে কিছুই সে পারেনা। আমরাও পদার্থ বিদ্যার বিপরীতে কিছুই করতে পারি না। এরকম অসংখ্য লজিক আছে। আমরা যেখানেই আগাই, যেভাবেই আগাই, কোনো না কোনো পদ্ধতিতেই তো আগাতে হয়! কিন্তু কেন? কেন আমরা পদ্ধতির বাইরে কোনো মুভমেন্ট করতে পারিনা? আর, এর উত্তর খুব সহজ। আমরা অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি।

এরকম আরো লেখা পড়তে Thoughts লিংকে ক্লিক করুন।

Saturday, July 9, 2022

নিজেকে উন্মোচিত করতে ভয় পাওয়ার দরকার

fear

ভয়! এই শব্দের অনেক প্রতিশব্দ আছে, যেমনঃ শঙ্কা, আতঙ্ক, কুন্ঠা, সন্দেহ ইত্যাদি। আমার মনে হয় এই সবগুলো শব্দই কোনো কিছুকে অপ্রাপ্তি হিসেবে চিহ্নিত করে। অর্থাৎ, যেটা হবার কথা বা যেখানে যেটা থাকার কথা, সেটা যদি না হয় বা সেখানে যদি কিছু নাই থাকে তখনি আমাদের মনে চেপে বসে কুন্ঠা, আতঙ্ক ইত্যাদি। সম্ভবত তখন থেকেই আমরা মানুষেরা ভয় পেতে শুরু করি। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে, বিষয়টি কিন্তু পশুপাখি বা উদ্ভিদকূলের মধ্যেও বিরাজমান। যেমনঃ যে গরুটি তার মালিকের খোয়াড়ে এক সুবোধ বালক সূলভ আচরণ করে, কেন সে পশুর হাটে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে? কোন গাছ টব ছেড়ে শেকড় কেন বাইরে নিয়ে আসে? আসলে এর সবই হচ্ছে অপ্রাপ্তি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ভয়টা আসে কেন? নাই বা পূরণ হলো কিছু চাওয়া। একথা হয়তো আমাদের মতো সৃষ্টির সেরা জীবদের কিছু শেখা কথা। কিন্তু বাস্তবিকপক্ষে আমরাও তো জীব! অন্য জীবেরা কিন্তু স্বর্থপরের মতো নিজেরটাই চায়। মজার বিষয় হচ্ছে এই চাওয়া - ভয়, এসব থেকেই সৃষ্টি হয় বেপরোয়া মনোভাবের। "শুধু মানুষ না, প্রতিটি জীবকুলই বেপরোয়া হয়ে ওঠে যখন সে ঘাবড়ে যায় - এক কথায় ভয় পেয়ে যায়।" তাহলে ভয় লাগে কেন? সত্যিকার অর্থে ভয় আসে নিজেকে উন্মোচন করতে। খাচার যে পাখিটা দরজা খোলা পায়, হাজার আপত্তি বা ভয় থাকা সত্ত্বেও সে কিন্তু উড়াল দেয় নিজেকে উন্মুক্ত করতে।

এরকম আরো লেখা পড়তে Thoughts লিংকে ক্লিক করুন।